fbajee অ্যাপ কেন আলাদা — একজন সাধারণ ব্যবহারকারীর চোখে
ধরুন আপনি অফিসে বা বাজারে আছেন, আর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলছে। আগে কী হতো? হয় ব্রাউজার খুলে ধীরে ধীরে পেজ লোড হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতো, নয়তো অডস মিস হয়ে যেত। fbajee অ্যাপ এই সমস্যাটাই চিরতরে মিটিয়ে দিয়েছে।
অ্যাপটা খুললে মাত্র দেড় সেকেন্ডে হোম স্ক্রিন আসে — লাইভ ম্যাচ, অডস, ব্যালেন্স সব একসাথে। এমনকি ৩G নেটওয়ার্কেও আটকায় না। ঢাকার বাইরে, মফস্বল বা গ্রামে থাকলেও fbajee অ্যাপ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে।
নতুন ব্যবহারকারীরা যা জানতে চান
অনেকে প্রথমবার fbajee অ্যাপ খুলে একটু দ্বিধায় পড়েন — এত কিছু দেখে কোথা থেকে শুরু করব? আসলে অ্যাপের ডিজাইনটা এমনভাবে করা হয়েছে যে তিন থেকে চার মিনিট ঘুরলেই সবকিছু বোঝা যায়। নিচের অংশে স্পোর্টস মেনু, উপরে ব্যালেন্স ও নোটিফিকেশন বেল। মাঝখানে লাইভ ম্যাচ স্লাইডার।
প্রথমেই পেমেন্ট পেজে গিয়ে bKash দিয়ে ডিপোজিট করুন। তারপর যে ম্যাচে বেট করতে চান সেটা ট্যাপ করুন, অডস বেছে নিন, পরিমাণ দিন — ব্যস। পুরো প্রক্রিয়া ৩০ সেকেন্ডের বেশি লাগার কথা না।
fbajee অ্যাপের কাস্টমাইজেশন সুবিধা
প্রতিটি মানুষের বেটিং স্টাইল আলাদা। কেউ শুধু ক্রিকেটে আগ্রহী, কেউ ফুটবল আর ক্যাসিনো মিলিয়ে খেলেন। fbajee অ্যাপে হোম স্ক্রিন নিজের মতো সাজানো যায়। পছন্দের খেলা উপরে রাখুন, বাকিগুলো নিচে সরিয়ে দিন। নোটিফিকেশনও কাস্টমাইজ করা যায় — কোন ম্যাচের আপডেট পাবেন, কোনটা পাবেন না।
fbajee অ্যাপে "ফেভারিট" ফিচার ব্যবহার করুন। পছন্দের দল বা লিগ ফেভারিটে যোগ করলে তাদের সব ম্যাচ এক জায়গায় পাবেন — আলাদা খুঁজতে হবে না।
অ্যাপের ক্যাশ আউট ফিচার — অনেকেই জানেন না
fbajee অ্যাপের একটি অসাধারণ ফিচার হলো ক্যাশ আউট। ধরুন আপনি বাংলাদেশের জয়ে ৳১০০০ বেট রেখেছেন। ম্যাচ ভালোই চলছে কিন্তু শেষের দিকে একটু টেনশন লাগছে — সেই মুহূর্তে ক্যাশ আউট করে ৳৭৫০-৳৮০০ নিশ্চিত করতে পারবেন। ম্যাচ হারলেও সব টাকা যাবে না।